সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রকমারি - ২

প্রেম কী বুঝলাম নারেএএএ এ এ এ এ
এঁহে হে হেঁ হেঁ হেঁ হেঁ....
কেউ তো বললো না রে, আই লাভ ইউ উ উ উ উ উ



বাসার পিছনে বস্তিতে কয়েকদিন যাবৎ এই গানটা বাজাচ্ছে। আমার মাথার মধ্যে বেশ রেকর্ড হয়ে গিয়েছে ! এই গানের আরেকটা লাইন এরকম : মজা তো করলাম না রে... (!?)
...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...

আমার ছাত্রকে যখন আমি পড়াচ্ছি, তখন বস্তিতে রিকশাঅলা মনের সুখে গান বাজিয়ে যাচ্ছে। পড়ানোর মাঝে একটু নীরবতা যখন আসে, তখন ছাত্র পড়ার দিকে মন না দিয়ে হেসে ওঠে, আমিও হেসে উঠি। কারণ তখন হয়তো দু'জনের মনের মধ্যে ঐসব গানের লিরিক্স ঢুকে গিয়েছে --
সারা দুনিয়া তোমার আমার বাসর ঘর (!?)

...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...


আমি ইদানিং গান শোনা বাদ দিয়ে মিউজিকের দিকে ঝুঁকেছি।
অনেকের পিসিতেই গান থাকে খুব সাজানো। এইরকম : Audio > Bangla > Bangla Bands > Shironamhin > File. অনেকের পিসিতে আবার একই গানের একাধিক কপি, এলোমেলো সব ফোল্ডারে যত্রতত্র রাখা থাকে। আমি সব রাখি উবুন্টুর Music ফোল্ডার-এ। বাংলা ইংলিশ, হিন্দি, উর্দু, আরবি, ফার্সি, মিউজিক -- সব এক জায়গায়। Rhythmbox মিউজিক প্লেয়ারে সার্চ করে গান শুনি। মিউজিকগুলোর আলাদা প্লেলিস্ট করা আছে। একবার সিলেক্ট করে প্লে দিয়ে দিলেই হলো। এখন সেভাবেই শুনছি। কয়েকটা মিউজিক ইদানিং খুবই ভালো লাগছে।
Ludovico Einaudi এর Primavera
.                           I Giorni
.                                   Divenire
আর এইটা হলো ইরানি ঘুম পাড়ানি গান। আমার খুবই ভালো লাগে ! گنجشک لالا
(চারটাই শুনে দেখার অনুরোধ রইলো !)
...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...

লিমন কাল সিলেট চলে যাবে। এই বন্ধুটি শাহজালাল ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হবার পর থেকে এই বিষয়টি রুটিনে দাঁড়িয়ে গিয়েছে -- চলে যাবার আগের দিন বা ঢাকায় আসার পরদিন ওর সাথে দেখা করা উপলক্ষ্যে সবার সাথে দেখা হবে। কলেজের সব বন্ধুরা এক একজন এখন কত কত জায়গায় কত কী করছে !
আগের একটা ব্লগেও লিখেছি -- এরকম সবার যখন দেখা হয়, তখন সিরিয়াস বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে যায় (আমার দোষেই বেশিরভাগ), আর সবকিছু পড়ে থাকে। তারপর একসময় আমি আর যীনাত (যীনাত ঐসব আলোচনায় উপস্থিত থাকে না, কিন্তু বাসায় যখন লিমনের সাথে তর্ক হয়, কিংবা আগে হতো নিলয়ের সাথে, সেইসব আলোচনা থেকে--) কঠিন উপলব্ধি করলাম -- আমরা কথা বলার নিয়ম জানি না ! সেই থেকে আমি এসব আড্ডাকে প্রভাবিত করা বন্ধ করলাম।
এখন আমিও হাসি, যখন শুনি -- To ask for getting peace back is like asking for getting virginity back. কিংবা সিফাত যখন ফিসফিসিয়ে বলে -- I think those guys using sign language are talking about us.
-- talking !
কিংবা -- আর মনে পড়ছে না !
আজকের আড্ডায়ও তেমনই হচ্ছিলো। তারপর আমাকে ক্ষেপানোর জন্য কে যেনো বললো -- "জাফর ইকবালকে স্যার বলা যাবে না কেনো ?" আমি বললাম -- "সে কি নাইটহুড পেয়েছে যে স্যার বলবে ?"
তারপর গেলো সে কথা। আমি এই বিষয়ে আর কথা বলতে সম্মত হলাম না। তারপর লিমন খুব সরল ভঙ্গিতে জিজ্ঞাসা করলো, "আচ্ছা, জাফর ইকবালকে তুমি পছন্দ করো না কেনো ?"
কী আর করা -- দু-চারটা কথা হলো। তারপর লিমনের কথার সারমর্ম এই যে আমার সমস্যা হলো আমি নিজেকে শতভাগ সঠিক মনে করি, আমি অন্যের কোনো কথা মেনে নেই না। ইত্যাদি। :-(
এবারে আমার শিক্ষার ঢের হলো -- আমাকে প্রশ্ন করলেও আমি আর পলিটিক্যাল, রিলিজিয়াস, ইত্যাদি বিষয়ে বন্ধুদের সাথে কথা বলবো না !
মাগরিবের আযান পড়লো। আমরা বেরিয়ে পড়লাম। হেঁটে হেঁটে দশ নাম্বার পর্যন্ত। সেখানেই সবাইকে বিদায় জানিয়ে আমি আর সজীব রিকশায় উঠলাম। কথা শোনার কী আর শেষ আছে ? সজীব বললো -- "তোমার উদ্দেশ্য কখনো সফল হবে না।" ওরে জ্বালা -- আমি কি কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে কথা বলি ? প্রসঙ্গত কথা এলে তাই বলতাম, পরে যখন দেখলাম লাভের মধ্যে গলা ব্যথা করা শুধু, তখন ক্ষান্ত দিলাম।

তবে একটা জিনিস কী জানো ? তোমার মাঝে যদি "সচেতনতা" এসেছে বলে মনে করো, তা সে যে বিষয়েই হোক না কেনো, তখন সেই সচেতনতার দাবীই হলো যে তুমি তা অন্যদের জানাবে। নইলে সে সচেতনতা অর্ধেক, পূর্ণ নয়।
আমার অর্ধেকে ঠেকে আছে। :-/
...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...

একটা সময় ছিলো, যখন ইন্টারনেট ব্রাউজ করতাম একটা পেইজে। সেই পেইজের কাজ শেষ হলে পর সেখানেই আরেকটা পেইজ লোড করতাম। ব্রাউজার ছিলো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার। কিংবা বড়জোর দুইটা উইন্ডো ওপেন করতাম। তারপর ফায়ারফক্স ব্যবহার শুরু করলাম। মাল্টি ট্যাবড ব্রাউজিং শুরু হলো। তারপর গুগল ক্রোম। মাল্টি ট্যাবড ব্রাউজিং আরো মজার হলো। উবুন্টুতে এসে আরো মজা পেলাম। পিসির কনফিগারেশান বাড়লো। এখন ইচ্ছেমতো দশ-বারোটা ট্যাব ওপেন রাখি। এই ট্যাবে এসে ব্লগিঙের মুড, পাশের ট্যাবে ঢুকলে চ্যাটিঙের মুড। তার পাশের ট্যাবে ঢুকলে ব্যক্তিগত সব মেইল -- এমনই। এ হলো এক প্রকার প্রতারণা। মানুষের মুডের মাল্টি টাস্কিং করা ঠিক না।
...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...

সাজিদ পড়া শেষ করে দরজা থেকে বেরোবার সময় প্রথমে একবার "আস্লামু আলাইকুম" টাইপের কিছু একটা বলে।তারপর সিঁড়ির পর পা রেখে জুতার ফিতা লাগায়। আমি একহাতে লুঙ্গির কুঁচি ( ;-) )ধরে রেখে আরেক হাতে দরজা ধরে দাঁড়িয়ে থাকি ! কারণ কেউ দৃষ্টির আড়াল হবার আগে দরজা আটকে দেয়া অভদ্রতা। :-) তারপর সাজিদের জুতা পরা শেষ হয়, আমি তখন আগে বলি -- "খোদা হাফেজ।" তখন সে-ও খোদা হাফেজ বলে। :-)

গতদিন সাজিদকে পড়াচ্ছি, উপদেশ দিচ্ছি -- "তুমি যখন ইউনিভার্সিটিতে উঠবে, তখন তো আর সময়ও থাকবে না, আর আমিও তোমাকে পড়াবো না। তাই এখনই অ্যাডভান্সড লেভেলের জিনিসগুলো শিখে রাখো।" তখন সে বেশ করে হেসে বললো -- "হুম, আর ততদিনে হয়তো আপনার বিয়েও হয়ে যাবে, এরকমই।" (!?!?!) (তার আবার "এরকমই", "এরকমই কিছু একটা",  একথার মুদ্রাদোষ আছে )
...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...

আমার স্মৃতিশক্তি দূর্বল। যীনাত আমার চেয়ে এক বছরের ছোট, কিন্তু ওর স্মৃতির ভান্ডারে মনে হয় ওর জন্মের স্মৃতিটা পর্যন্ত আছে ! আমি কিছুই মনে রাখতে পারি না। ব্ল্যাক বক্স টাইপের অবস্থা -- সর্বশেষ আধাঘন্টার রেকর্ড থাকে। Kind of a volatile memory.
রবীন্দ্রনাথ নাকি "মর্মান্তিক দৃষ্টি" বলে একরকম দৃষ্টির বর্ণনা দিয়েছেন। সেই দৃষ্টি যীনাত নাকি দেখেছে আমার এক বন্ধুর চোখে। এই মর্মান্তিক দৃষ্টিতে আশাভঙ্গের বেদনা, না পাওয়ার কষ্টসহ আরো অনেক কিছু আছে। আর আমি  নাকি একবার কোন মেয়ের দিকে এই দৃষ্টি দিয়েছিলাম ! অবশ্য যীনাতের আর সব বর্ণনা বিশ্বাস করলেও আমি এটা বিশ্বাস করি নাই। আর যদি সত্যিই হবে, তাহলে আমাকে নাম বলে না কেনো ? :-(

...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...   ...

আজ অনেক মিউজিক শোনা হলো। এক ফ্রেন্ডের সাথে চ্যাটিং করতে গিয়ে কীবোর্ডে এমন ভাষা চলে এলো --
চেক করো নি কি গুগল মেইল ?
জানাবে কি না আমায় কেমন লাগলো ?
-- ওররে.. এতো কঠিন করে কথা বলতেসো ক্যান ? 


কারণ আজকে মুড আমার জীবনানন্দ। কোথায় যেনো ছিলো এমন সব লাইন ? হুম, মনে পড়েছে -- "আট বছর আগের এক দিন"।

অশ্বত্থের শাখা
করেনি কি প্রতিবাদ ? জোনাকির ভিড় এসে সোনালি ফুলের স্নিগ্ধ ঝাঁকে 
করেনি কি মাখামাখি ?
থুরথুরে অন্ধ প্যাঁচা এসে 
বলেনি কি :"বুড়ি চাঁদ গেছে বুঝি বেনোজলে ভেসে
চমৎকার !--
ধরা যাক দু-একটা ইঁদুর এবার।"
জানায়নি প্যাঁচা এসে এ তুমুল গাঢ় সমাচার ?


প্যাঁচা হলে কেমন হতো ? বিশ্রী চেহারা নিয়ে মানুষের ঢিল খেতে হতো। তবে প্যাঁচা হলে রাত দেখা যায়। প্যাঁচার মত করে রাতের সৌন্দর্য আর কেউ উপভোগ করতে পারে না। সুযোগ দিলে দু-দিনের জন্য হয়ে দেখতাম !


ছবিটা কার তোলা জানি না, তবে বেশ সাহিত্যিক সাহিত্যিক ভাব। আমার কাছে ব্লগার বলে মনে হয়েছে।




নূরে আলম,
মার্চ ১৬, ২০১২।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

শিয়া-সুন্নি বিরোধ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন এবং উভয় পক্ষের জবাব

শিয়া-সুন্নি বিভেদ ও দ্বন্দ বহু পুরনো বিষয়। এই দ্বন্দ নিরসনে ইতিহাসে বহু দ্বীনি ব্যক্তিত্ব বৃহত্তর মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছেন। বিপ্লবের পরপর ডা. জাকির নায়েকের ওস্তাদ আহমদ দীদাত ইরানের যান এবং সেখান থেকে ফিরে এসে শিয়া-সুন্নি ঐক্য ডায়লগে তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন, যা আমি এক সপ্তাহ আগে অনুবাদ করে প্রকাশ করেছিলাম
যা-ই হোক, এই দ্বন্দ নিশ্চিতভাবেই মুসলমানদের জন্য একটি নেতিবাচক ও দুর্বলতার দিক। এমনকি তা অনেককে চরমপন্থার দিকেও নিয়ে গিয়েছে। আগে যেই শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ আলেমসমাজ ও কতিপয় জানাশোনা ব্যক্তির মাঝে সীমাবদ্ধ ছিলো, বর্তমান সহজ তথ্যপ্রযুক্তির যুগে তা প্রায় সকল লেভেলে ছড়িয়ে পড়েছে। দেখা যাচ্ছে যে, একদল আরেক দলকে এমন অনেক অভিযোগ করছে, যেগুলো হয়তো শিয়া-সুন্নি উভয় আলেমই অগ্রহণযোগ্য বলে বাতিল করে দেবেন। তবে তথ্যের অবাধ প্রবাহের একটি সুবিধা হলো, এতে মিথ্যার প্রচার যেমন অতি সহজ, তেমনি একইভাবে মানুষের দ্বারে সত্যকে পৌঁছে দেওয়াও খুব সহজ।

আমি ব্যক্তিগতভাবে শিয়া ও সুন্নি উভয়কেই মুসলিম ভাই বলে গণ্য করি। কিন্তু তাদের বৃহত্তর ঐক্যে পৌঁছানোর ব্যর্থতা, পরস্পর শত্রুতা ও প্রেজুডি…

ইমাম খোমেনীর জীবন : এক ইসলামী বিপ্লবের ইতিহাস

রুহুল্লাহর গল্প
বিশ্ব ইমাম খোমেনীকে প্রথমবারের মত চিনেছে ১৯৭৮ সালের শেষাশেষি, যখন ইরানের রাজতন্ত্রের বিরোধিতা করার কারণে তিনি ফ্রান্সে নির্বাসিত ছিলেন। প্যারিসের অদূরে বসে ইরানের শাহ মুহাম্মদ রেজা পাহলভীর বিরুদ্ধে ইমাম খোমেনীর ঘোষিত যুদ্ধ এবং আমেরিকা বিরোধী কঠোর বক্তব্য এক অভূতপূর্ব মিডিয়া কাভারেজ এনে দিলো, এবং ইমামকে বিংশ শতকের অন্যতম বিপ্লবী চরিত্র হিসেবে পরিচিত করলো। পত্র-পত্রিকা আর নিউজ বুলেটিনে তাঁর ছবি ভরে উঠলো। এই ছবি বিশ্বের অসংখ্য মানুষের কাছে, বিশেষতঃ পশ্চিমা বিশ্বের কাছে নিতান্তই অপরিচিত ছিলো। সাদা দাড়ি এবং কালো পাগড়িধারী এই মানুষটিকে দেখে মনে হতো যেনো ইতিহাসের পাতা থেকে সময় অতিক্রম করে বর্তমানে চলে এসেছেন। তাঁর সমস্তকিছুই ছিলো নতুন আর অপরিচিত। এমনকি তাঁর নামটিও : রুহুল্লাহ। আর দুনিয়ার অসংখ্য পলিটিশিয়ান ও সাংবাদিকদের মনে যে প্রশ্নটি নাড়া দিয়ে যাচ্ছিলো, তা ছিলো : কী ধরণের বিপ্লবী মানুষ এই খোমেনী ?

সিরিয়ায় সম্ভাব্য মার্কিন হামলা, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি এবং ইরান

(মিশরের আলোচনা একটু থিতিয়ে পড়তেই সিরিয়ায় উত্তেজনা শুরু হলো। আমি হয়তো লিখতাম না, কিন্তু সিরিয়া ইস্যুতে লেখাটা এখন কর্তব্য হয়ে পড়েছে। এই কারণে নয় যে সিরিয়া-কেন্দ্রিক মধ্যপ্রাচ্যের পলিটিক্সের স্বচ্ছ ধারণা এদেশীয় মুসলমানদের নেই, বরং লেখা কর্তব্য এই কারণে যে ছোট-বড় ইসলামপন্থীদের চরম বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা কার্যত বিভক্তি উস্কে দিচ্ছে।)
সম্প্রতি সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করা হয়েছে। এতে অসংখ্য মানুষ মারা গিয়েছে, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু (অনলাইনে এসব ছবি ও ভিডিও পাওয়া যাচ্ছে)। আমেরিকা ও তার বন্ধুরা তৎক্ষণাত প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে দায়ী করেছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে খুব শীঘ্রই তারা (সম্ভবত) হামলা চালাতে যাচ্ছে।

সিরিয়ায় বিদেশী মদদপুষ্ট বিদ্রোহীদের সাথে ২১ অগাস্ট রাজধানী দামাস্কাসের অদূরে সিরীয় সেনাদের সাথে ব্যাপক যুদ্ধ শুরু হয় বিদ্রোহী গ্রুপের। যুদ্ধের কথা জানানোর কিছুক্ষণ পরেই বিদ্রোহীরা ফেইসবুক পেইজে দাবী করে যে সিরীয় সেনারা রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করেছে। এরপরের ঘটনা সবার জানা।

২০১১ সাল থেকে মার্কিন মদদপুষ্ট বিদ্রোহীরা সিরিয়া…