সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

June, 2013 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পৃথিবীর দীর্ঘতম দিনে...

আজ যে দীর্ঘতম দিন ছিলো, তা আমার স্মরণে ছিলো না। খেয়াল হলো যখন প্রকৃতি বললো, "আজকে বড় দিন, আজকে বেশিক্ষণ খেলবো।"
 মুহিত, মাহদী, প্রকৃতি, সপ্তমী -- এরা হলো আমার ক্ষুদে বন্ধু। যদিও বন্ধুত্বটা ওদের পক্ষ থেকে কনফার্ম করা হয়নি এখনো ! বিকেল হলে ওরা নিয়ম করে ছাদে খেলতে আসে, আর আমার গাছগুলোর যত্ন নেয়া শেষে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমি ওদের খেলা উপভোগ করি; কখনোবা ঝগড়া মিটমাট করে দিই, কিংবা খেলার নিয়ম ঠিক হলো কিনা, কেউ চুরি করলো কিনা, ইত্যাদি বিচার করি।

আজ বিকেলে ছাদে উঠলাম, হাতে এক মগ পানি -- গাছে দিতে হবে। উঠে দেখি পুরো ছাদ পানিতে মোটামুটি ডুবে আছে। পানির ট্যাংক ভরে উপচে পড়ে এই অবস্থা। এদিকে একটা নষ্ট টিউব লাইট দিয়ে ড্রেইন পাইপের ছাঁকনি পরিষ্কার করার চেষ্টা করছে মাহদী, যেনো পানি সরে যায়। ছাদে আরেকটা ড্রেইন পাইপ আছে, কিন্তু সেটার মুখও গাছের পাতা জমে বন্ধ হয়ে আছে। একটা ভাঙা টবের টুকরা দিয়ে জায়গাটা পরিষ্কার করে দিলাম, আর হুহু করে পানি নেমে যেতে লাগলো। কী যেনো কথা বলতে বলতে মুখ তুলে তাকিয়েছি, ততক্ষণে মাহদী হাওয়া ! নিজেকে কেমন একটু বোকা বোকা লাগলো ! মানে বাচ্চাদের উপযোগী করে কথা বলত…

বৃহত্তর স্বার্থ ও মুসলমানদের ঐক্যের ভিত্তি

(পূর্বকথা : এই লেখার শিরোনাম হতে পারতো : "অমুকের মুখোশ উন্মোচন" কিংবা "শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব" অথবা "সিরিয়ার আসাদ-বিরোধীদের সমর্থন দেবো কি ?" কিন্তু তা না করে সেই পুরনো শিরোনামটাই দিলাম, যেটা টেবিলের সামনে কয়েক সপ্তাহ যাবৎ ঝুলছিলো। পরীক্ষা সামনে, কিন্তু হঠাৎই এই বিষয়ে লেখাটা জরুরী হয়ে পড়েছে।)

ভণিতা না করে আসল কথায় আসি। সেদিন "ফেসবুকে সুপরিচিত" একজন ইসলামপন্থী লেখক অত্যন্ত আনন্দ প্রকাশ করে একটি লিঙ্ক শেয়ার দিলেন। সামহোয়্যারইনব্লগের একটি লেখা, শিরোনাম হলো "শিয়া মতবাদ : ইসলামের নামে ভয়ংকর বিশ্বাস ও মুনাফেকির বৃত্তান্ত।"
বিভক্তির বিষয় উপস্থাপন করাটা বৃহত্তর স্বার্থে ভালো হবে না, এই মূল বক্তব্যের একটি বড়সড় কমেন্ট পোস্ট করলাম। কিছুক্ষণ পরে লেখক আমার কমেন্টটা মুছে দিলেন। কমেন্ট মোছার কাজ নাস্তিক-শাহবাগিরা করে থাকে; সেই কাজ ইসলামপন্থী লেখককে করতে দেখে বিস্মিত হলাম। সেদিনই আবার একই বিষয়ে গুগল প্লাসে ইসলাম বিষয়ক কমিউনিটির একটি পোস্টে আমার মন্তব্যের প্রতি-উত্তরের জবাব দিতে গিয়ে লক্ষ্য করলাম, আমাকে ব্যান করা হয়েছে। তাই আলাদাভাবে নি…

ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দে কী গভীর রাত এখন !

দিনশেষে সকালের পারফিউমগুলো মিলিয়ে আসে। যে শরীরের ঘ্রাণ জানবার কথা ছিলো, তা আর হয় না।

শয়তান মানুষকে প্রতারিত করেছে। আমার কোনো শরীরের ঘ্রাণ নেবার কথা ছিলো না।

দীর্ঘদিন ভালোবাসার পর একটা সময় উপলব্ধি করেছি : সুন্দর আঙুল, খাড়া নাক, নরম ঠোঁট, নিষ্ঠুর কিংবা বড় বড় পাঁপড়ির মায়াবী চোখগুলোর পিছনে শয়তান কাজ করেছে। শয়তানের উপর থেকে ভালোবাসা সরিয়ে নিতে কি রক্তক্ষরণ হয়েছে ?

কী আশ্চর্য ! নিতান্তই নিষ্পাপ দুর্বলতাগুলোয় শয়তান আঘাত করেছে। তারপর সুযোগ করে নিয়েছে।

দিনশেষে আমাকে আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে।

সময় খুবই কম। ভুল-ভ্রান্তিগুলো এখনই দূর করতে হবে।

ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দে কী গভীর রাত এখন !