সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

August, 2011 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ঈদ, ঈদ, ঈদ :)

আজ ঈদ (ছিল ?)।
আমি ঈদে বাইরে যাই না। গত ব্লগটাতেই এ নিয়ে বেশ কথা লেখা হয়েছে। তবু আজ আমার যাওয়া হলো।
গতকাল ব্লগটা লেখার সময়ই মনে হচ্ছিলো যে আজ ঈদ হবে। তা-ই হলো। আর, লিখেছিলাম যে বন্ধুদের সাথে দেখা করবো না, কারণ তাদের মজাও মাটি হবে, মাটি হবে আমারটাও। কিন্তু আজ দেখা হলো, বন্ধুর বাসায় যাওয়া হলো এবং-। এবং ভালোই লাগলো !

ডায়রি : অগাস্ট ৩০, বিকেল।

ডায়রিটা কাগজেই লেখা লাগতো। কিন্তু খুব ক্লান্তি লাগছে। কেবল ঘুম থেকে উঠলাম। আগামীকাল বা পরশু ঈদ। কেনো যেনো মনে হচ্ছে আগামীকাল হবে। কে জানে !

তত্ত্বকথা - ২

ক'দিন আগে ইয়াহু মেসেঞ্জারে কলেজের এক ফ্রেন্ডের সাথে কথা হচ্ছিলো। অনেকদিন তার সাথে আমার দেখা হয় না, কথা হয় না। "কেমন আছো ?"- জিজ্ঞাসা করলে সে বলে- "আলহামদুলিল্লাহ।" আমাকেও একই কথা জিজ্ঞাসা করলো সে। আমি বললাম, "ভালো আছি, বেশ ভালোই আছি। গতদিন আমার বাসায় অমুক, অমুক আর অমুকেরা এসেছিলো। বেশ এক আড্ডা হয়ে গেলো।"
- আমার কেনো জানি আর ফ্রেন্ড ভালো লাগে না। মেবি অনেক ধাক্কা খেয়েছি ফ্রেন্ডদের থেকে, এইজন্য। আমি ফ্রেন্ডদের জন্য আছি কিন্তু ফ্রেন্ডরা কেউ আমার জন্য নাই।
- ঠিক ধরেছো। এই জিনিসটা বুঝতে তোমার এতদিন লেগেছে।
- জানো মাসুদ, আমি সবসময় ফ্রেন্ডদের জন্য যা করেছি, নিঃস্বার্থভাবে করার চেষ্টা করেছি। আলাদা একটা দুনিয়া-ই ছিলো আমার ফ্রেন্ডদের জন্য। ওদের প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে দিন নেই রাত নেই যখন বলেছে ঠিক তখন পাশে পেয়েছে আমাকে। সত্যি বলতে আমি সেটা পাই নি।
- হুম, তা ঠিক।
- সবাই শুধু স্বার্থ দেখে। খুব কষ্ট হয় মাঝে মাঝে।
- ......., তুমি খুব আবেগী ছেলে।
- আমি এখন আমার ফ্যামিলির মানুষগুলোর প্রতি সবচেয়ে বেশি কেয়ারিং। লাইফে যা করছি বা করবো শুধু তাদের জন্যই করবো। আমি …

UNTITLED - 5

আমি এখন দুইটা টিউশনি করি। একজন ক্লাস সেভেনের ছাত্র, আরেকজন ক্লাস টেন-এর। গতরাতে সিদ্ধান্ত নিলাম এদেরকে নিয়ে একটা ব্লগ লেখা যেতে পারে।
আসলে গতরাতে সেহরি পর্যন্ত না ঘুমিয়ে জেগে থেকে যীনাতের সাথে নানান তত্ত্বজ্ঞানী আলোচনা করেছি। আমাদের বিভিন্ন 'বন্ধু'-'বান্ধবদের' নিয়ে। নানান কথা...। তারপর একফাঁকে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে কথা উঠল। যীনাতও নিজের প্রশংসা করার চেষ্টা করলো, আমিও করলাম। সেই বডি ল্যাঙ্গুয়েজ থেকেই আমার ছাত্রদের কথা।

দুইটি ব্লগ, একসাথে

১.

গুপ্তচার হ্যামফারকে বৃটিশ উপনিবেশ মন্ত্রণালয়ের ডিজি যেই হাজার পৃষ্ঠার বইটা পড়তে দেয়, তাতে মুসলমানদের দুর্বল দিক, তাদের শক্তিশালী দিক, তাদের দুর্বল দিকের সুযোগ নেবার উপায়, শক্তিশালী দিকগুলোকে দুর্বল করার উপায়- ইত্যাদি পয়েন্ট করে লেখা ছিলো। এটা ১৭১০ সালের বেশ কয়েক বছর পরের ঘটনা।

শেষ চিহ্ণ

(গল্প)

-->
এইতো, সেদিন এরকমই বৃষ্টি হচ্ছিলো- এর চেয়েও বেশি। তখন সন্ধ্যা নেমেছে, তেরো তলা কমার্শিয়াল ভবনের অনেকগুলো ফ্লোরেই আলো নিভে গেছে, মানুষজন সব বের হয়ে গাড়িতে উঠছে, গাড়িগুলো চোখের সামনে দিয়ে চলে যাচ্ছে- আর ক্লাস শেষে বেরিয়ে আমরা দু’জন বৃষ্টিতে আটকা পড়ে শেডের নিচে দাঁড়িয়ে আছি। সেদিনটা আমার খুব মনে আছে- তুমুল বৃষ্টিতে দু-হাত দূরে থাকা মানুষ পর্যন্ত ঝাপসা হয়ে উঠছিলো, আর আমরা কিছুটা সময়ের জন্য চুপ হয়ে গিয়ে দু’জনেই রাস্তার উপর গুলশান লেকের উপচে পড়া পানির স্রোত দেখছিলাম। সেদিনই শেষবারের মত- নাহ, তোমাকে প্রথম থেকেই বলি।