সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

2010 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বাচ্চা-কাচ্চার গল্প

অনেকদিন থেকে একটা ব্লগ লিখতে মন চাইছিল। তাও আবার যেমন তেমন ব্লগ না- সুপার ডুপার ব্লগ।
গতকাল সত্যিই লেখার কিছু পেয়ে গেলাম।
সেকথাই বলি।

বিকেলে হঠাৎই নানাজীর সাথে দেখা করতে গেলাম। আসরের নামাজ পড়ে বেরোলাম। গিয়ে দেখি নানাজী ইফতার সামনে নিয়ে বসে আছেন। রোজার মাসের পরের মাসে নানাজী ছয়টা রোজা রাখেন। ওটা ছিল ৫ম টা।
নানাজীর সাথে ইফতার করেই উপরে গেলাম। সেখানে ছোট মামার ছেলে মুহিত তার চেয়ে বয়সে দু-এক বছরের বড়  ফুফাতো বোন লুবাইনার সাথে খেলছে। লুবাইনা-ই পড়ে কেজিতে। আর মুহিত( সে নিজেকে বলে 'ইপপাইডার ম্যান') তো সব কথা এখনও স্পষ্ট বলতেই পারে না।
যা বলছিলাম।

হরবোলা

১. একদিন ক্লাস হচ্ছিল না বলে কয়েকজন ফ্রেন্ড বসে গল্প করছিলাম। এখনকার জেনারেশনের ছেলে- মেয়েরা সাধারণত যে গল্প করে, তা হল অমুকের নতুন মোবাইল সেট, অমুকের এই ল্যাপটপ, কিংবা ফেইসবুক অথবা কাপড়-চোপড়, গাড়ি ইত্যাদি। এসব নিয়েই গল্প করছে সবাই। আমি এসব কথায় খুব একটা পার্টিসিপেইট করতে না পেরে শেষে দেশের কথা তুললাম। বিডিআর মিউটিনির কথাটা স্বাভাবিকভাবেই এল। দু-একজন ফ্রেন্ডকে দেখলাম এ বিষয়ে আমার সাথে কথায় অংশ নিতে পারল। আর বাকীদের অবস্থা না বললেই নয়- রাজনীতি কিংবা দেশের খবর, কিছুই জানা নেই তাদের। বিডিআর এর এই ঘটনায় কীভাবে সীমান্ত অরক্ষিত হয়ে পড়েছে, তাতে বাংলাদেশের কী কী ক্ষতি হতে পারে, সীমান্তে প্রতিদিন কীভাবে গুলিবর্ষণ করে বাংলাদেশীদের হত্যা করা হচ্ছে এসব কথা বলায় কয়েকজন অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল।

আবার সেই রমজানের গল্প.....

আবার রমজানের গল্প করতে বসলাম। ডায়েরীতে তো অনেকবারই হল, এবার ডায়েরীর পাতা থেকে লাফ দিয়ে চলে এলাম ব্লগের পাতায়।
কিছুদিন আগে রাস্তার 'পরের ভ্যান থেকে শশা কিনছিলাম। এক প্রতিবেশী (ভূতপূর্ব!) আন্টির সাথে দেখা হল। আন্টি তার ছেলে জিসানকে নিয়ে কোথায় যেন যাচ্ছিলেন, দেখা হওয়ায় জিজ্ঞাসা করলেন- "এখনও কি তুমি আর্ট করো?"

মানুষ তো ছোট থেকে বড় হয়, বড় থেকে বুড়ো হয়। সময়ের দাগ পড়তে থাকে। কিন্তু কারো সাথে শেষ দেখাটা যদি হয় অনেক বছর আগে, মানুষ তখন সময়ের দাগের কথা ভুলে যায়, হঠাৎ দেখা হলে বলে- "তুমি এত বড় হয়ে গেসো?" কিংবা- "এখনও কি তুমি আর্ট করো?"
আমি আগে ছবি আঁকতাম।

অনেকদিন পর, এইসব গল্প

৫ই অগাস্ট এর কাহিনী

শুক্র-শনি আব্বু আর বড়াপুর অফিস ছুটি। আম্মু তাই বৃহস্পতি থেকে শনিবার পযর্ন্ত এই ছোট্ট ট্রিপ-এ গেলেন নানাজীর সাথে নানাবাড়ি, সাথে আমি আর ছোটমামা।
৫ই অগাস্ট সকাল আটটার দিকে রওয়ানা করে বেলা একটায় পৌঁছলাম। গাড়ি থেকে বের হয়েই প্রথম যে কথাটা মনে হল, সেটা একটা শব্দ- 'গরম!' সারা বাংলাদেশে এসি লাগানোর মত অবস্থা!
তাড়াতাড়ি ব্যাগ নিয়ে সোজা দো'তলায়। গোসল করতে যেয়ে দেখি দীর্ঘদিনের অব্যবহারে বাথরুমের অবস্থা খুব চমৎকার! কোনমতে জুতা পরে রবীন্দ্রনাথের সেই চাকরের(নামটা ঠিক মনে নেই, ব্রজেশ্বর মনে হয়) মত হাত বাঁকিয়ে বাঁকিয়ে গা বাঁচিয়ে গোসল করলাম। আম্মু হাঁড়ি-পাতিল ধুয়ে খিচুড়ির ব্যবস্থা করে ফেললেন। সবাই খেয়ে-দেয়ে দম ফেলতেই ক'ঘন্টা যেন পার হয়ে গেল।



টরেন্ট ব্যবহার পদ্ধতি

টরেন্ট হল, সোজা ভাষায়, ফাইল ডাউনলোড করার একটা পদ্ধতি।
আমি অনেকসময় ৭০০ মেগাবাইট সাইজের কিংবা ৯০০ মেগা কিংবা ১.২ বা ১.৪ গিগাবাইট সাইজের মুভি ডাউনলোড করি টরেন্ট দিয়ে। আমার নেট স্পীড 15-17 KBPS. ২৪ ঘন্টায় লোডশেডিং চলে ৬-৭ ঘন্টা। কিন্তু তারপরও, দুইদিনেই আমার একটা মুভি টরেন্ট দিয়ে ডাউনলোড করে দেখা শেষ হয়ে যায়। টরেন্ট ছাড়া কোনভাবেই দুইদিনে মুভি ডাউনলোড করে দেখা সম্ভব হত না!
টরেন্ট আসলে একটা ফাইল শেয়ারিং সিস্টেম।