সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

2019 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

উপহার

কারেন্ট চলে গেলে মোম জ্বালানো হতো, আর সে মোম গলে পড়ে মেঝেতে কিংবা টেবিলের উপর ছোট্ট গোল আকৃতি তৈরী করত। কারেন্ট আসলে সবাই ফুঁ দিয়ে সবগুলো রুমের মোম নিভাতো। আর আগে থেকেই আমাদের ভাই-বোনদের ডিক্লেয়ার করা থাকত: কোন মোমের গলে পড়া অংশ কে নেবে; মোম নিভানোর পর ঠাণ্ডা হয়ে যেত দুই মিনিটেই, আর সেগুলো যে যারটা নিয়ে নিতাম।

তো, এরকম বিভিন্ন 'সম্পদ' থাকত আমাদের। এমনকি স্কুলে পড়ি, তখনও। একবার সেজাপুর বার্থডেতে আমি আর আমার ছোটবোন মিলে একটা গিফট দিলাম। 'প্রজাপতি ম্যাচ' এর একটা খালি বাক্স, তার ভিতরে একটা পোড়া ম্যাচের কাঠি, এবং ঐ গলে পড়া সবচে সুন্দর শেপ-এর এক টুকরা মোম।


সেজাপুও যত্ন করে সেটা রেখে দিল। আমরা সবাই-ই কিন্তু তখন স্কুলে পড়ি, প্রাইমারিতে।

মোর্শেদের সাথে কথা হচ্ছিল, হঠাৎ সেই 'উপহার' এর কথা মনে পড়ল।

ও বলছে, "নাসিমের বাসায় আজকে রান্না হয়নি, ওকে নিয়ে আসলাম, ও আর একজন গেস্ট মিলে আমার খাবারটা অর্ধেক করে খেল, আর আমি ন্যুডলস রান্না করে খেলাম, তেল ছিল না, পানিতে সেদ্ধ ন্যুডলস।"
আমি বললাম, "বাহ! কী সুন্দর।"

সুন্নাহ মোতাবেক খাওয়া: "একজনের খাবার দুইজনের জন্য…

কৈফিয়ত

১. গোলামী যেন দেশবাসীর অভ্যাসে পরিণত না হয়।
২. বিএনপি-জামাতের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও হঠকারী কূপমণ্ডুকতা সম্পর্কে খুব স্পষ্টভাবে জানতে মাহমুদুর রহমানের এই লেখাটা পড়ুন
৩. এবার আমার কিছু কথা (অনলাইন-অফলাইনে আগেও বলেছি):
0. বাংলাদেশের বর্তমান দলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা স্ট্রাকচারালি কার্যতঃ স্বৈরতান্ত্রিক (সবচে বড় দলের প্রধানই দেশব্যাপী এমপি-মন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ইত্যাদি নিয়োগ দিয়ে থাকে)। অতএব, এই স্ট্রাকচার যতদিন না বদলাবে, ততদিন এই সিস্টেমের খেলোয়াড়দের ভিতর থেকে স্বৈরাচার জন্ম নিতে থাকবে। এই বুঝটা না থাকলে আপনি কেবল হাসিনা-খালেদা ক্যালকুলেশানই করবেন, এবং আপনার পরের জেনারেশান তাদের যুগে জন্ম নেয়া নতুন হাসিনা-খালেদার ক্যালকুলেশান করবে, কিন্তু এটা বুঝবে না যে, আমাদের সিস্টেমটাই স্বৈরাচার জন্ম দেবার সিস্টেম।
1. বাংলাদেশে বর্তমানে স্বৈরশাসন চলছে। কিন্তু জনগণের মাঝে এই অনুভূতিটা দৃঢ়ভাবে নেই; অর্থাৎ, জনগণ স্পষ্টভাবে মনে করছে না যে দেশে স্বৈরশাসন চলছে। তারা এখনও কমবেশি 'ভোট, ইলেকশান, সরকারী দল-বিরোধী দল' ইত্যাদি নিয়েই ভাবে।
এর ফলে 'ইলেকশান মহড়া'…