সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Remember... Life is just a memory...

When you try your best but you don't succeed / when you get what you want but not what you need...
When you leave something you can't replace / when you love someone but it goes to waste / could it be worse...
Lights will guide you home / and ignite your bones / and I will try to fix you...

গান শুনতে শুনতে ব্লগ লেখার অভ্যাস মরে যায় নি তাহলে ! সে যাক। আজ দশ নাম্বার নেমেছিলাম। রাস্তার দু-ধারে কয়েকটা দোকানে প্রিন্টের কাজ করা হয় কিনা, সেই খোঁজ নিলাম। রাস্তাটা প্রশস্ত হয়েছে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সময়। ময়লার স্তুপটাও সরানো হয়েছিলো-- এখন আবার রিস্টোর করেছে। সাধু যোসেফের নব্যালয়, ম্যাগনোলিয়া ভিলা, এগুলো পার করে ডানের রাস্তায় ঢুকলাম। কিছুদুর এগোনোর পর ডানের রাস্তায় তাকালাম, কোনো কম্পিউটার কম্পোজ / প্রিন্টের দোকান চোখে পড়ে কিনা। "ওয়ারদা টেলিকম" এর ছেলেটা তো এই রাস্তার কথাই বুছিয়েছে।
তারপর সামনে তাকালাম। হায় আমি ! হায় আমার ব্রেইন ! এই রাস্তায় তো আমি বহুবার এসেছি। এবছরই এসেছি। গতবছরও এসেছি। কী করে আমি সেই রাস্তাকে ভুলে গেলাম ? এই রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলাম, মামা রিকশায় করে হসপিটালে গেলো। সেদিন অনেক দৌড়াদৌড়ি করেছিলাম ঐ রাস্তা দিয়ে। ষোলই জুলাই, ২০১০ কি ছিলো দিনটা ? Yes, that's exact. সেদিন আমার জিয়া উদ্যানে যাওয়া হয়েছিলো, সেদিনই আমার খালা রোড অ্যাকসিডেন্টে হসপিটালাইজড হলো, আর সেদিনের আগেরদিনই আমার HSC পরীক্ষার রেজাল্ট দিলো।
কই, এসব তো ভুলি নাই ? এমনকি, মাসটা মনে হয় নভেম্বর ছিলো, সেই ২০১০ এরই-- আমার মনে পড়ে এই রাস্তারই একটা সাইবার ক্যাফেতে আমার যাওয়া হয়েছিলো, DU এর প্রবেশপত্র প্রিন্ট করার কাজে। প্রিন্ট শেষে ফিরতে ফিরতেই বিকেলের গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি।
সাইবার ক্যাফেটাতে উঠতে হলে রাস্তার পাশে বাড়িটার দেয়ালে লাগানো মেটালের সিঁড়ি দিয়ে উঠতে হয়। খাড়া খাড়া সিঁড়ি বেয়ে উঠতে পেটের মধ্যে কেমন যেনো লেেগছিলো ! সবই মনে আছে-- কিন্তু রাস্তাটাকেই আর মনে নেই।

অনেক্ষণ হাবিজাবি বকলাম। যা লিখতে চেয়েছি, তা হলো-- আজ গিয়েছিলাম সেই সাইবার ক্যাফেতে।
সিঁড়িটার অবস্থা এক বছরে আরো খারাপ হয়েছে। ডানদিকে হেলে গিয়েছে, শুধু রাস্তার উপরে গেড়ে দেয়া পিলারের উপর ভর করে আছে। সেটা বেয়েই উঠলাম, কিন্তু পেটের মধ্যে কোনোরকমই করলো না। অথচ বিকেল হয়ে গিয়েছে-- সকাল থেকে মাত্র দুটো রুটির উপর আছি।
এখানে জুতা খুলে ঢুকতে হয়। আমি জানতাম। কিন্তু আমার সবসময়ই ভয় হয়-- চুরি গেলে তো এরা কিছুই দেবে না। শেষে শুধু মোজা পায়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যেতে হবে ! ভাবলাম, দরজা খুলেই পেন ড্রাইভ ধরিয়ে দিয়ে বলবো-- "একটা ফাইল আছে, চার কপি প্রিন্ট দিয়ে দেন, আমি বাইরে দাঁড়াচ্ছি।" কারণ আমার সাধের "সুপার কমফি" জুতাটাকে খোয়াবার কোনোই ইচ্ছা নেই। সেইমতই কাঁচের স্লাইডিং ডোর একটু সরিয়ে মাথা ঢুকিয়ে বললাম-- "প্রিন্ট হবে ?"
তিনজন মানুষ একটা পিসির দিকে তাকিয়ে ছিলো। একজন বিশের কম, একজন পঁচিশের কম, আরেকজন পঁচিশের বেশি হবে; মনে হলো। এরাই সাইবার ক্যাফেটা চালায়। তবে গতবছর যখন এসেছিলাম, এরা ছিলো না। যাহোক, যে ছেলেটা (age < 25) বসে ছিলো পিসিতে, সে বললো-- "হবে।" আমি প্ল্যানমতো পেনড্রাইভটা দিয়ে "প্ল্যানমতো" কথাটা বলবো; ছেলেটা বেশ হাসিখুশি চেহারা নিয়ে বসে ছিলো, আমাকে বিস্মিত করে দিয়ে বলে উঠলো-- "আপনার দেশ কী ?"

আমি ক্লাস সেভেন থেকে কিরো অমনিবাস পড়েছি, মানুষজনের উপর সেই বিদ্যা ফলিয়েছি। অনেককেই হঠাৎ করে জিজ্ঞাসা করেছি-- "আপনার / তোমার কোন মাসে জন্ম ?" কিংবা-- "তোমার জন্ম কি ৬, ১৫, ২৪-- এর যেকোনো একটাতে ?" অথবা-- "লিমন, দেখো, ঐ মেয়েটার জন্মমাস হয় অগাস্ট, নয় সেপ্টেম্বর হবে।"
আমি যেই ঢঙে মানুষকে চমকে দিয়ে এসব কথা বলতাম, সেইরকম ঢঙেই সে আমাকে জিজ্ঞাসা করলো-- "আপনার দেশ কী ?"

আমার কথায় আঞ্চলিকতার টান নেই। না পাবনার, না পটুয়াখালির। আমি চাইলে একদম বিশুদ্ধ ভাষায় কথা বলি। তার কী মনে হলো যে আমার হোম ডিস্ট্রিক্ট জানতে চাইলো ? আমি দুর্বল হেসে চালু একটা উত্তর দিলাম-- "মানে ? বাংলাদেশ ! আমি বাংলাদেশে থাকি।"
ছেলেটা সুন্দর করে হাসলো। সেই হাসির অর্থ এমন-- "হা হা, তুমি বোঝো নাই !" আমি বোকা হয়ে গেলাম-- কী ঘটছে ? দ্রুত বললাম-- "মানে, আমার গ্রামের বাড়ির কথা বলছেন ?" তখন আরেকজন (age > 25) বুঝিয়ে দিলো-- "না, আপনি কোন দেশের সেটা জানতে চাইসে।"

?

আমার চেহারায় কী পরিবর্তন ঘটলো ? নাকি আমি বিদেশীদের মতন, যেমনটা গুলশানে মাঝে মাঝে দেখি, তেমন অদ্ভুত বাংলা বলেছি ?
আমার প্রশ্নকর্তা আমাকে বললো-- "আপনার জন্ম কোথায় ?"
...          ...          ...          ...     ...          ...          ...          ...     ...          ...          ...          ...

-- "এখানে কার সাথে থাকেন ?"
-- "কেনো, আব্বু-আম্মুর সাথে থাকি ! ছোট থাকতেই দেশে চলে এসেছি।"

তখনও আমি দাঁড়িয়ে। পেন ড্রাইভটা দিয়ে বললাম-- "এখানে proposals নামে একটা ফাইল আছে, ওটার চার কপি প্রিন্ট দেন।" সে পেন ড্রাইভটা দিয়ে ভয়ানক দৌড়ানি কার্সরের সাথে যুদ্ধ করছে দেখে (বোঝা গেলো কিবোর্ড দিয়ে পিসি চালাতে পারে না) আমি বুঝলাম, সময় লাগবে, শীতের মাঝে আর দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব না। জুতা খুলে ভিতরে গিয়ে বসলাম। বললাম-- "একটু তাড়াতাড়ি দেন, আমার যেতে হবে।" পুরনো পত্রিকার উপরে রাখা মাউস নিয়ে যুদ্ধ করতে করতে মিষ্টি হেসে সে বললো-- "সময় তো একটু বেশিই লাগবে।"
ফাইল ওপেন করার পর দেখি আমার অতি সুন্দর সোলাইমানলিপি ফন্টের অনুপস্থিতিতে পেইজের চেহারা বদলে গিয়েছে। কেনো যে পিডিএফ করে আনলাম না ! সোলাইমানলিপির কথা বললাম, খুঁজে পেলো না। ফন্ট ডাউনলোড করে নিতে বলবো ? সেটা আবার কেমন হবে ? কিন্তু, ছেলেটার দেখি জগতের সব কিছুতেই সুখ আর আনন্দ, চেহারাই সেটা বলে দিচ্ছে-- বললাম-- "ওহ হো, স্যরি। আমার তো ফন্টটা আনা উচিত ছিলো। একটু কষ্ট করে নেট থেকে নামিয়ে নেবেন ? এক মিনিট লাগবে। গুগলে সোলাইমানলিপি সার্চ দেন।"
সে মাউসের কার্সরকে ফায়ারফক্সের আইকনের উপর আনার চেষ্টা করতে লাগলো। আসলেই মাউসের খারাপ দশা, এদিকে আমার তাড়াতাড়ি প্রিন্ট জমা দিয়ে বাসায় ফিরতে হবে-- বললাম-- "আমি বের করে দিই ?"
সে খুশিমনে আমার হাতে পিসির কন্ট্রোল ছেড়ে দিলো। কিবোর্ড দিয়ে কাজ করে আমি নামিয়ে দিলাম। সে মুগ্ধ ! আমাকে জিজ্ঞাসা করলো, কিভাবে বন্ধ করলাম। কোন কী কমবিনেশান দিলে মাই কম্পিউটারে ঢুকবে। যাহোক, "ভাইজান তো অনেক কিছু জানেন", এজাতীয় কিছু কথা বলতে বলতে সে চার কপি প্রিন্টের কমান্ড দিয়ে দিলো। আমি একটু হেসে বললাম-- "আমি কম্পিউটার এঞ্জিনিয়ারিং পড়ি।" প্রিন্ট হয়ে যাবে, আমাকে এই নিশ্চয়তা দিয়ে সে অতি বিনয় সহকারে আমাকে বললো-- "ভাইজান যদি কিছু মনে না করেন, তাহলে একটু এইরকম কয়েকটা কমান্ড লিখে দেবেন ?"
উইন্ডোজের কীবোর্ড শর্টকাট মনে করা ! ইউনিভার্সিটির ল্যাব ছাড়া উইন্ডোজ ব্যবহার করা হয় না, আমার কাছে এলিয়েন হয়ে গিয়েছে উইন্ডোজ, কীবোর্ড শর্টকাট তো আরো ভুলেছি, কিন্তু এই সুন্দর চেহারা আর সুন্দর হাসির কাছে পরাজিত হয়ে বললাম-- "আচ্ছা !" ছোট ছেলেটাকে (age < 20) বললো-- "ভাইজানকে একটা ডায়রি আর কলম এনে দে তো !"
Alt + F4 ----- close
Windows + D --------- Minimize all
Alt + Tab ----------- Show other window
Ctrl + C ------------ Copy
Ctrl + V ----------- Paste
Windows + U + U ----------- Shut down
শাটডাউনের শর্টকাট লেখা শেষে কালি শেষ হয়ে এলো। আমি হেসে বললাম-- "কালি শেষ হয়ে গেছে !" সে ওতেই বেশ খুশি। আমার কাছ থেকে আরো কিছু জিনিস দেখে নিলো।
"ভাইজানের কাছ থেকে পাঁচ টাকা কম রাখ" -- আমি ষাট টাকা দিয়ে পাঁচ টাকার একটা নোট পকেটে ঢুকিয়ে প্রিন্টআউট ফাইলে নিলাম। পেনড্রাইভ নিয়ে বেরোচ্ছি, সুন্দর করে হেসে বললো-- "ভাইজান, দরকার লাগলে আবার আসবেন।" আমি বললাম-- "হ্যাঁ, দরকার হলে তো অবশ্যই আসবো।"

জুতা পরে বের হয়ে আসলাম। "দরকার হলে তো"-- কথাটা কেমন অতি কমার্শিয়াল হয়ে গেলো না ? সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে সেই চিন্তাসহ ওদের সবার কথা, আমার প্রিন্টআউটের কথা, ভাঙা সিঁড়ির কথা-- সব কিছু মাথা থেকে মুছে গেলো।

কী এক অদ্ভুত পুরনো স্মৃতি মাথায় চেপে বসলো। মনে হলো-- এখন গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হলে আমি কী করতাম ?
কিংবা সাধু যোসেফের নব্যালয়ের ঠিক সামনে একটা রিক্সা-ভ্যান দাঁড়ানো দেখলে কি ভাবতাম ? হায়, সেখানে এখন প্রশস্ত রাস্তা আর ফুটপাথ-- রিক্সা-ভ্যানের দাঁড়াবার কোনো জায়গা নেই।

মানুষ বড় স্মৃতিকাতর। সময় মাঝে মাঝে তাকে জোর করে ভাবায়।




নূরে আলম,
ডিসেম্বর ২৪, ২০১১।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

শিয়া-সুন্নি বিরোধ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন এবং উভয় পক্ষের জবাব

শিয়া-সুন্নি বিভেদ ও দ্বন্দ বহু পুরনো বিষয়। এই দ্বন্দ নিরসনে ইতিহাসে বহু দ্বীনি ব্যক্তিত্ব বৃহত্তর মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছেন। বিপ্লবের পরপর ডা. জাকির নায়েকের ওস্তাদ আহমদ দীদাত ইরানের যান এবং সেখান থেকে ফিরে এসে শিয়া-সুন্নি ঐক্য ডায়লগে তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন, যা আমি এক সপ্তাহ আগে অনুবাদ করে প্রকাশ করেছিলাম
যা-ই হোক, এই দ্বন্দ নিশ্চিতভাবেই মুসলমানদের জন্য একটি নেতিবাচক ও দুর্বলতার দিক। এমনকি তা অনেককে চরমপন্থার দিকেও নিয়ে গিয়েছে। আগে যেই শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ আলেমসমাজ ও কতিপয় জানাশোনা ব্যক্তির মাঝে সীমাবদ্ধ ছিলো, বর্তমান সহজ তথ্যপ্রযুক্তির যুগে তা প্রায় সকল লেভেলে ছড়িয়ে পড়েছে। দেখা যাচ্ছে যে, একদল আরেক দলকে এমন অনেক অভিযোগ করছে, যেগুলো হয়তো শিয়া-সুন্নি উভয় আলেমই অগ্রহণযোগ্য বলে বাতিল করে দেবেন। তবে তথ্যের অবাধ প্রবাহের একটি সুবিধা হলো, এতে মিথ্যার প্রচার যেমন অতি সহজ, তেমনি একইভাবে মানুষের দ্বারে সত্যকে পৌঁছে দেওয়াও খুব সহজ।

আমি ব্যক্তিগতভাবে শিয়া ও সুন্নি উভয়কেই মুসলিম ভাই বলে গণ্য করি। কিন্তু তাদের বৃহত্তর ঐক্যে পৌঁছানোর ব্যর্থতা, পরস্পর শত্রুতা ও প্রেজুডি…

ইমাম খোমেনীর জীবন : এক ইসলামী বিপ্লবের ইতিহাস

রুহুল্লাহর গল্প
বিশ্ব ইমাম খোমেনীকে প্রথমবারের মত চিনেছে ১৯৭৮ সালের শেষাশেষি, যখন ইরানের রাজতন্ত্রের বিরোধিতা করার কারণে তিনি ফ্রান্সে নির্বাসিত ছিলেন। প্যারিসের অদূরে বসে ইরানের শাহ মুহাম্মদ রেজা পাহলভীর বিরুদ্ধে ইমাম খোমেনীর ঘোষিত যুদ্ধ এবং আমেরিকা বিরোধী কঠোর বক্তব্য এক অভূতপূর্ব মিডিয়া কাভারেজ এনে দিলো, এবং ইমামকে বিংশ শতকের অন্যতম বিপ্লবী চরিত্র হিসেবে পরিচিত করলো। পত্র-পত্রিকা আর নিউজ বুলেটিনে তাঁর ছবি ভরে উঠলো। এই ছবি বিশ্বের অসংখ্য মানুষের কাছে, বিশেষতঃ পশ্চিমা বিশ্বের কাছে নিতান্তই অপরিচিত ছিলো। সাদা দাড়ি এবং কালো পাগড়িধারী এই মানুষটিকে দেখে মনে হতো যেনো ইতিহাসের পাতা থেকে সময় অতিক্রম করে বর্তমানে চলে এসেছেন। তাঁর সমস্তকিছুই ছিলো নতুন আর অপরিচিত। এমনকি তাঁর নামটিও : রুহুল্লাহ। আর দুনিয়ার অসংখ্য পলিটিশিয়ান ও সাংবাদিকদের মনে যে প্রশ্নটি নাড়া দিয়ে যাচ্ছিলো, তা ছিলো : কী ধরণের বিপ্লবী মানুষ এই খোমেনী ?

সিরিয়ায় সম্ভাব্য মার্কিন হামলা, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি এবং ইরান

(মিশরের আলোচনা একটু থিতিয়ে পড়তেই সিরিয়ায় উত্তেজনা শুরু হলো। আমি হয়তো লিখতাম না, কিন্তু সিরিয়া ইস্যুতে লেখাটা এখন কর্তব্য হয়ে পড়েছে। এই কারণে নয় যে সিরিয়া-কেন্দ্রিক মধ্যপ্রাচ্যের পলিটিক্সের স্বচ্ছ ধারণা এদেশীয় মুসলমানদের নেই, বরং লেখা কর্তব্য এই কারণে যে ছোট-বড় ইসলামপন্থীদের চরম বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা কার্যত বিভক্তি উস্কে দিচ্ছে।)
সম্প্রতি সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করা হয়েছে। এতে অসংখ্য মানুষ মারা গিয়েছে, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু (অনলাইনে এসব ছবি ও ভিডিও পাওয়া যাচ্ছে)। আমেরিকা ও তার বন্ধুরা তৎক্ষণাত প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে দায়ী করেছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে খুব শীঘ্রই তারা (সম্ভবত) হামলা চালাতে যাচ্ছে।

সিরিয়ায় বিদেশী মদদপুষ্ট বিদ্রোহীদের সাথে ২১ অগাস্ট রাজধানী দামাস্কাসের অদূরে সিরীয় সেনাদের সাথে ব্যাপক যুদ্ধ শুরু হয় বিদ্রোহী গ্রুপের। যুদ্ধের কথা জানানোর কিছুক্ষণ পরেই বিদ্রোহীরা ফেইসবুক পেইজে দাবী করে যে সিরীয় সেনারা রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করেছে। এরপরের ঘটনা সবার জানা।

২০১১ সাল থেকে মার্কিন মদদপুষ্ট বিদ্রোহীরা সিরিয়া…