সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

UNTITLED লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

UNTITLED - 9

এক ফ্রেন্ডের স্বপ্নের কথা বলি। স্বপ্নটা এমন -- মনে হয় আমি বাড়ির বারান্দায় বসে থাকবো। হাতে কোনো বই থাকবে। বিকেল বেলা। "ও" বারান্দায় এসে বসবে। বলবে, কী করছো। বলবো, এইতো, কিছু না। তারপর ও বলবে, দাঁড়াও, তোমার জন্য চা বানিয়ে আনি। চা আমার খুব পছন্দ। তারপর ও আমার জন্য চা বানিয়ে আনবে। তারপর... বাকিটুকু বলবো না।  বন্ধুটি যখন তার কল্পনার সংসারের গল্প বলতে থাকে, তখন -- না, আমি নিজের সংসার কল্পনা করি না।  তবে আমি তার কল্পনার প্লট তৈরী করে ফেলি মনে মনে ! উপরের কথাগুলো এক ফ্রেন্ডের, কিন্তু সেগুলো শুনবার সময়ে আমি কল্পনা করলাম গুলশান-২ এর ১০৩ নাম্বার রোডের এক বাড়ির D শেপের খোলা বারান্দাটা। সেখানে একটা দোলনা রাখা -- দু'জন বসা যায়, এমন। ছিমছাম, রডের তৈরী মিনিমালিস্টিক ডিজাইনের দোলনা। সেখানে বসে বন্ধুটি কোনো একটা বাংলা উপন্যাস পড়ছে। পাতলা একটা বই। বিকেল বেলা। যদিও সামনেই ব্যস্ত রোড, কিন্তু আজ সেখানে শব্দ নেই। মৃদুমন্দ বাতাস, যেটাতে গরম লাগে না। তারপর তার "ও" (ওয়াইফ) বারান্দায় এলো। এসে পেছন থেকে "কী করছো" বলে... । তারপর বন্ধুটা একটু হেসে বলবে, এইতো, কিছু ন...

UNTITLED-8

বেশ ক'দিন হলো ইউনিভার্সিটিতে ক্লাস নিচ্ছি। ক'দিন মানে মোটামুটিভাবে এই সিমেস্টারের শুরু থেকে। এতে আমার বেশ অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হয়েছে। একটা ক্লাস শেষে পরবর্তী ক্লাস কিভাবে নিলে আরও ইফেক্টিভ হবে, তা চিন্তা করেছি। প্রশ্ন / নোট তৈরীর সময় স্টুডেন্ট সাইকোলজি নিয়েও একটু ভেবেছি। শিক্ষকতার মাঝে আনন্দ আছে। কম্পিউটার এঞ্জিনিয়ারিং দুনিয়ায় সত্যিকারের কাজ না করলে যেনো কিছুই করা হয় না -- এমন ধারণা অনেকের। আমারও অনুভুতি অনেকটা তেমনই। কিন্তু মানুষকে পড়ানোর মাঝেও অনেক আনন্দ ! খুব ভালোভাবে কাউকে কিছু বুঝাতে পারলে ভালোই লাগে ! আমাদের স্কুল অব সায়েন্সের ডিন একরাম স্যার অত্যন্ত অভিজ্ঞ ব্যক্তি। পরীক্ষার খাতা দেখে উনি এভাবে বলে দিতে পারেন -- অমুকের খাতা দেখেছে অমুক, আর তারটা থেকে দেখেছে এ। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ শিক্ষকেরা মানুষের সাইকোলজি বোঝেন সহজে। নিতান্তই অ-ভালো ছাত্র ছাড়া আর সবারই হয়তো এমন অভিজ্ঞতা আছে যে টিচার সারাটা ক্লাস তার দিকে তাকিয়েই পড়া বুঝিয়েছে। এমন হলে একটু অস্বস্তি লাগে। Integral Calculus ক্লাসটা ছাড়া মোটামুটি অন্যান্য ক্লাসে স্যার আমার দিকে তাকিয়ে পড়া বুঝান প্রায়...

UNTITLED-7

সব সাংবাদিকই কি এভাবে গান গায় ? যেমনটা আব্বু গায় -- "হুঁহু হুঁহু হুঁ.... উহু হু... হু হু হু... মমম.. হম... হুম... হু..." সেজাপু বলে, সাংবাদিকেরা সবাই নাকি এভাবেই গান গায়। অবশ্য আমাদের তেমন একটা সাংবাদিক দেখা হয় না -- আমরা প্রায় আলাদা একটা দুনিয়ায় বাস করি। তবে খেয়াল করেছি, আরিফ ভাইয়াও এভাবে গান গায়। (হঠাৎ মনে পড়লো, বিয়ের আগে আরিফ ভাইয়া যখন শুধু আমাদের বাসায় আসত আর আমরা তাকে সত্ত্বর বিয়ে দেওয়ার পক্ষে বাসায় ওকালতি করতাম, তখন সে শুধু তার ল্যাপটপ বের করে "আমি তোমার মনের ভিতর" গানটা বাজাত !) আমি গান গাইতে পারি না।

UNTITLED - 5

আমি এখন দুইটা টিউশনি করি। একজন ক্লাস সেভেনের ছাত্র, আরেকজন ক্লাস টেন-এর। গতরাতে সিদ্ধান্ত নিলাম এদেরকে নিয়ে একটা ব্লগ লেখা যেতে পারে। আসলে গতরাতে সেহরি পর্যন্ত না ঘুমিয়ে জেগে থেকে যীনাতের সাথে নানান তত্ত্বজ্ঞানী আলোচনা করেছি। আমাদের বিভিন্ন 'বন্ধু'-'বান্ধবদের' নিয়ে। নানান কথা...। তারপর একফাঁকে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে কথা উঠল। যীনাতও নিজের প্রশংসা করার চেষ্টা করলো, আমিও করলাম। সেই বডি ল্যাঙ্গুয়েজ থেকেই আমার ছাত্রদের কথা।

unsorted words, untitled - 1

এখন বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে দেখে লিখতে বসে গেলাম। আর সেইসাথে রবীন্দ্রনাথের গান প্লে দিয়ে দিলাম – এমনো দিনে তারে বলা যায় / এমনো ঘন ঘোর বরিষায় / এমনো দিনে মন খোলা যায় / এমনো মেঘ স্বরে / বাদল ঝর ঝরে / তপনহীন ঘন তমসায় / এমনো দিনে তারে বলা যায়। ব্যস – হয়ে গেল বৃষ্টি বিলাস।