সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আধ্যাত্মিকতা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বেহেশতের রঙ অথবা বাঁশিওয়ালার গল্প

বহুকাল যাবৎ মানুষ সুরের সন্ধান করে আসছে। সেজন্যে বানিয়েছে কত বাদ্যযন্ত্র, লিখেছে কত গান, কত সুর। তবু মনে শান্তি নেই। এক গান শেষে আরেক গান। এক সুর ছেড়ে আরেক সুর। অস্থির অশান্ত মানব মন। সব গান আর সব সুর শোনা শেষ হয়, তবু তৃপ্তি নেই। ..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... তারপর একদিন সব গান আর সুরের জগত মন্থন শেষে সুরপাগল শুনল নতুন এক সুর। পাখির গান, পাতার শব্দ, জলের কোলাহল আর মাটির ঘ্রাণের সাথে শিশিরভেজা ঘাসের স্পর্শ আর ভোরের আলো-আঁধারির লুকোচুরি একত্রে মিশালে হয় সেই সুর। আর সুশীতল এক বাতাস বয়ে নিয়ে যাবে সেই সুরকে। সেই সুরেলা বাতাসের গতি অনুসরণ করে সুরপাগল পৌঁছে গেল সাত আসমানের ‘পার। খোদার আরশ আছে সেইখানে। সুরপাগল তখন দেখে বেহেশতের রঙ। ..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... ..... খোদাতায়ালা কথা বলেন না। তিনি কেবল ইশারা করেন। তিনি হাসেন। ভালোবাসেন। মানব-হৃদয়ের গভীরে, রক্তে ঢেউ তোলেন। তিনি সুরপাগলের নাম দিলেন বাঁশিওয়ালা। বাঁশিওয়ালা ফিরে আসে। মানুষকে ডেকে বলে, খোদাতায়ালা আমার নাম দিয়েছেন বাঁশিওয়ালা। আমাকে শিখিয়েছেন সুর। এসো, আমরা একসাথ...

আধ্যাত্মিক যাত্রার পূর্বপ্রস্তুতি

ভূমিকা বেশ কিছুদিন যাবৎ মানুষের হৃদয়ের জগত সম্পর্কে কিছু লেখার কথা ভাবছিলাম। অর্থাৎ, আধ্যাত্মিক বিষয়াবলী, এবং আধ্যাত্মিক উন্নতি ও চর্চার কিছু পথ। অথচ সেটা কিভাবে সম্ভব? যেখানে আল্লাহ তায়ালা নিজেই এই বিষয়গুলিকে প্রকাশ্য করেননি, বরং লুকিয়ে রেখেছেন কুরআনের বিভিন্ন আয়াতের আড়ালে। আমরা জানি যে, ব্যাখ্যায় মূলভাবের মান কমে যায়। তবু আল্লাহ তায়ালা কুরআন দিয়েছেন, আবার তার ব্যাখ্যাকারকও দিয়েছেন। নাযিল অর্থ অবতরণ, নেমে আসা, উঁচু থেকে নিচুতে নামা। সদাজ্ঞানী আল্লাহপাকের থেকে মুহাম্মদ (সা.) এর অন্তরে যখন “ভাব” প্রদান করা হলো, তখনই তার মান কমে গেল, কেননা তাকে মানব-হৃদয়ে ধারণ করার মত করে আল্লাহপাক ব্যাখ্যা করলেন। তবু সেটা সর্বোচ্চ পর্যায়, কেননা কোন নূরই মুহাম্মদী নূরের সমান হতে পারে না। এরপর মহামানব মুহাম্মদ (সা.) যখন তাঁর অন্তরের এই ভাবকে আল্লাহর আদেশক্রমে সর্বোন্নত ভাষা আরবীতে প্রকাশ করলেন, তখন তার মান আরো কমে গেলো। আমরা পেলাম মহাগ্রন্থ আল কুরআন। সেই কুরআনেই যখন আধ্যাত্মিক বিষয়াবলীকে আমরা লুক্কায়িত দেখতে পাই, তবে প্রকৃত মহাসত্য না জানি কী রকম! এরপর যুগে যুগে ওলী-আউলিয়া, বড় বড় আ’রেফ -- তাঁরা নিজ...

I know you’re tired, but...

Parallel Universe বিভিন্ন জগতে উঁকি দেবার মত ব্যাপার যেমন ঘটতে পারে, তেমনি চর্চার মাধ্যমে ভিন্ন জগতে সচেতন বিচরণের মত ব্যাপারও ঘটা সম্ভব। আবার অনেকসময় কোনো জগত বিদ্যুৎ ঝলকের মত এসে দেখা দিয়ে যায়। কোয়ান্টাম ফিজিক্স এজাতীয় কিছু বিষয় আলোচনা করে। তারা কেবল এধরণের সম্ভাব্যতা সাজেস্ট করে। অথচ এই ব্যাপারে ইসলামসহ বিভিন্ন ধর্ম অনেক গভীরে প্রবেশ করেছে আরো আগেই। আলটিমেটলি, মানুষের জ্ঞানই তো! কোয়ান্টাম ফিজিক্স দিয়ে প্যারালেল ইউনিভার্স না বুঝে ইরফান (অধ্যাত্মবাদ) দিয়ে বুঝলে দোষ কী? যেখানে কোয়ান্টাম ফিজিক্স কেবল ইন্টেলেকচুয়ালি পসিবিলিটি ‘সাজেস্ট’ করে, ইরফান সেখানে (জ্ঞানের চেয়ে) উচ্চতর স্তরে বিষয়টাকে ‘নিশ্চিত’ করে। যারা কোয়ান্টাম ফিজিক্স দিয়ে প্যারালেল ইউনিভার্সের রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছেন, সেটাকে আমার কাছে অনেকটা ব্লেড দিয়ে ফল কাটার মত মনে হয়, অথচ ব্লেড দিয়ে কখনোই ছুরির মত সহজে সুন্দরভাবে ফল কাটা সম্ভব নয়। তো, অন্য একটি জগত যখন বিদ্যুত চমকের মত এসে উঁকি দিয়ে যায়, তখন ঐ মুহুর্তের জন্য উভয় জগতের অস্তিত্ব সন্দেহাতীতভাবে পরিস্ফূট হয়। কিন্তু বিদ্যুত চমক বন্ধ হয়ে যাবার পর চারিদিক আবার অন্ধকার। ...