সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

ইমাম খোমেনী লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

জিহাদ আল আকবার : নফসের সাথে যুদ্ধ

জিহাদ আল আকবার : নফসের সাথে যুদ্ধ আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ আল মুসাভি আল খোমেইনী অধ্যায় – ০ : বাংলা অনুবাদকের মুখবন্ধ (বইটি পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন ।) "জিহাদ আল আকবার : নফসের সাথে যুদ্ধ" বইটি ইমাম খোমেইনীর (র.) কিছু নির্বাচিত লেকচারের সংগ্রহ। ইমাম খোমেইনীকে (র.) অধিকাংশ মানুষ চেনে ইরানের ইসলামী বিপ্লবের মহান নায়ক হিসেবে। কিন্তু এর উর্ধ্বে তাঁর যে পরিচয় তাঁকে আল্লাহর কাছে সম্মানিত করেছে এবং আধ্যাত্মিকতায় আগ্রহী ব্যক্তিদের বিস্মিত করেছে, তা হলো : ইমাম খোমেইনী (র.) ছিলেন একজন উচ্চস্তরের আধ্যাত্মিক সাধক। মহান আল্লাহ তায়ালার সাথে তাঁর আধ্যাত্মিক সম্পর্ক কতখানি গভীর ছিলো, তা পরিপূর্ণ অনুধাবন করতেও বোধকরি উচ্চ তাক্বওয়ার অধিকারী হওয়া প্রয়োজন। তবে ইমাম খোমেইনীর (র.) সম্পর্কে জানেন, এমন ব্যক্তি জিহাদ আল আকবার বইটি পড়লে তাঁকে ভিন্ন আলোকে চিনতে পারবেন, এবং অন্ততঃ এটুকু উপলব্ধি করতে পারবেন যে, তিনি কেবলমাত্র একটি ইসলামী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা-ই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন খোদার একজন প্রকৃত আ'রেফ। আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে আল্লাহর সাথে বিশেষ আধ্যাত্মিক সম্পর্ক স্থাপন...

তাগুতের কাছে বিচারপ্রার্থনা ও আল্লাহর নিকট পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ

সারকথা : " আপনি কি তাদেরকে দেখেননি , যারা দাবী করে যে , তারা বিশ্বাস করে যা আপনার উপর অবতীর্ণ হয়েছে এবং যা আপনার পূর্ববর্তীদের উপর অবতীর্ণ হয়েছে। ( কিন্তু ) তারা বিরোধের বিষয়ে বিচারের জন্য তাগুতের মুখাপেক্ষী হয় , যদিও তাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে একে ( তাগুতকে ) প্রত্যাখ্যান করতে। পক্ষান্তরে শয়তান তাদেরকে প্রতারিত করে পথভ্রষ্ট করে ফেলতে চায়। " ( – সূরা নিসা , ৪ : ৬০ ) আবদুল্লাহ ইউসুফ আলী : এখানে সাধারণ অর্থে সেসব মানুষকে বুঝানো হয়েছে , যারা নিজেদের হকপন্থী বলে দাবী করে , কিন্তু নিজেদের লাভের জন্য ন্যায়বিচারক নয় , এমন মানুষকে বিচারক মেনে নেয়। ইমাম খোমেইনী : স্বৈরাচারী সরকারের বিচারব্যবস্থা , নির্বাহী ও রাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গ মিলেই হলো " তাগুত " । কারণ তারা শয়তানি আইন তৈরী , প্রয়োগ এবং তাকে বিচারব্যবস্থার ভিত্তি করার মাধ্যমে ঐশী বিধানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে। এদেরকে অবিশ্বাস ( প্রত্যাখ্যান ) করতে আল্লাহ আমাদেরকে নির্দেশ করেছেন। ম ুহাম্মাদ বিন আবদুল ওহাব : তাগুত ৫ প্রকার , এর মাঝে এক প্রকার হলো আল্লাহর আইন বিরোধী অত্যাচারী শাসক। ( আলোচনাটিকে নিরপেক্ষ...

ইমাম খোমেনীর জীবন : এক ইসলামী বিপ্লবের ইতিহাস

রুহুল্লাহর গল্প ইমাম আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ আল মুসাভী আল খোমেনী। বিশ্ব ইমাম খোমেনীকে প্রথমবারের মত চিনেছে ১৯৭৮ সালের শেষাশেষি , যখন ইরানের রাজতন্ত্রের বিরোধিতা করার কারণে তিনি ফ্রান্সে নির্বাসিত ছিলেন। প্যারিসের অদূরে বসে ইরানের শাহ মুহাম্মদ রেজা পাহলভীর বিরুদ্ধে ইমাম খোমেনীর ঘোষিত যুদ্ধ এবং আমেরিকা বিরোধী কঠোর বক্তব্য এক অভূতপূর্ব মিডিয়া কাভারেজ এনে দিলো , এবং ইমামকে বিংশ শতকের অন্যতম বিপ্লবী চরিত্র হিসেবে পরিচিত করলো। পত্র - পত্রিকা আর নিউজ বুলেটিনে তাঁর ছবি ভরে উঠলো। এই ছবি বিশ্বের অসংখ্য মানুষের কাছে , বিশেষতঃ পশ্চিমা বিশ্বের কাছে নিতান্তই অপরিচিত ছিলো। সাদা দাড়ি এবং কালো পাগড়িধারী এই মানুষটিকে দেখে মনে হতো যেনো ইতিহাসের পাতা থেকে সময় অতিক্রম করে বর্তমানে চলে এসেছেন। তাঁর সমস্তকিছুই ছিলো নতুন আর অপরিচিত। এমনকি তাঁর নামটিও : রুহুল্লাহ। আর দুনিয়ার অসংখ্য পলিটিশিয়ান ও সাংবাদিকদের মনে যে প্রশ্নটি নাড়া দিয়ে যাচ্ছিলো , তা ছিলো : কী ধরণের বিপ্লবী মানুষ এই খোমেনী ?