সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

স্মৃতিচারণ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ছুটি

ছোটবেলায় আমার আনন্দের জায়গাগুলো ছিলো খুব সীমিত। একটা আইসক্রিম খেতে পারা, বেলুন কিনতে পারা কিংবা চিউয়িংগাম, অথবা কার্টুনের স্টিকার কেনা...। আর স্কুলের পর সারাদিন বাসায় অলস সময়ে বিভিন্ন ক্র্যাফটস বানানো ! এগুলো করতে করতেই আমি বড় হয়ে গেছি। তারপর… সেই আনন্দের জায়গাগুলি নিয়েই আমি সন্তুষ্ট ছিলাম। আমার সমবয়েসীরা প্রতি ক্লাস উপরে ওঠার সাথে সাথে আর বয়স বাড়ার সাথে সাথে আনন্দের জায়গাগুলোকে বদলাতে লাগলো। সাধ্যের সবকিছুই স্পর্শ করলো তারা। কিন্তু আমি আমার নিজস্ব জগতেই রয়ে গেলাম। এমনি করে কিভাবে যেনো স্কুল পাশ করে ফেললাম, কলেজে ভর্তি হলাম। এসময়েই জানি না কিভাবে আমার আনন্দের জায়গাটা হঠাৎ বদলে গেলো। কিন্তু সেটাও সমবয়েসী আর সবার সাথে মিললো না ! এখনও মেলে না। সবাই যখন নানা রকম খাওয়া-দাওয়া, দেশ-বিদেশ ঘোরা, গান-মুভি-আড্ডা-প্রেম ইত্যাদি ডাইভার্সিফাইড বিষয়ের মাঝে জীবনের আনন্দ খুঁজে নিচ্ছে, তখন আমি এগুলোতে কোনো আগ্রহই পাই না। গুলশান ক্যাম্পাসে থাকতে প্রায়ই বিভিন্ন ফাস্টফুডে যাওয়া হতো, আর আমার কাছে যে বিষয়টা হাস্যকর লাগতো তা হলো, শুধু “খাওয়ার” উদ্দেশ্যে আমরা সবাই মিলে কোথাও যাচ্ছি। কিংবা খেতে খেতে সবার খ...

বাংলাদেশ এবং ভালোবাসা

এখনকার দিনে কি কেউ আর ছবির অ্যালবাম দেখে ? এমনকি পিসিতেও স্টোর করে বলে মনে হয় না। সব অ্যালবাম তো এখন "ফেসবুক অ্যালবাম" ! বাসায় কতগুলো অ্যালবাম আছে। সবচে' পুরনো অ্যালবামটা হলো ইরানি অ্যালবাম। কী আশ্চর্য ! আব্বু-আম্মু সেখানে আট বছর ছিলো, আমাদের ছ'জনের মাঝে চার ভাই বোনেরই জন্ম হলো সেখানটায়, কিন্তু ছবি মোটে শ' খানেক হবে কিনা সন্দেহ ! অথচ সেখানকার কত প্রভাব আমাদের উপর -- আমরা "সালাম" বলি, "আসসালামু আলাইকুম" বলি না, এবং আরো অনেক কিছু। এই নিয়ে কতবার নানাজীর কাছে শুনতে হয়েছে -- "তোমাদের ইরানি কায়দা...।" বাংলাদেশ যখন কঠিন সময় পার করে, তখন উদ্বিগ্ন হই, কাগজে-কলমে, পত্রিকায় কিংবা কিবোর্ডে চিন্তার ঝড় তুলে ফেলি। আবার যখন আমেরিকার মুখের উপর কঠোর জবাব দিয়ে ইরান প্রযুক্তিতে এগিয়ে যায়, তখন ভিতরে ভিতরে উত্তেজনা অনুভব করি। ইউটিউবে হঠাৎ-ই ইরানি ঘুমপাড়ানি গান আবিষ্কার করে থ্রিলড হই। সেজাপু-মেজাপুকে ডেকে শুনাই। কিংবা সেজাপু যখন ইরানি মুভি ডাউনলোড করে -- Song of Sparrows -- তখন মুভি না দেখা আমিও মুভি দেখতে বসি। কিন্তু সেই ইরানের শ' খা...

গানেতিহাস - ২

আমার গান শোনার স্মৃতি ছোটবেলা থেকে। তখন বাসায় রেকর্ডার ছিলো। সেটাতে ক্যাসেট লাগালেই বেশ গান শোনা যেতো ! ভাইয়া যা আনতো, তা-ই শোনা হতো। মাঝে মাঝে খালা-মামাদেরটা ধার করে এনে চালানো হতো। আমাদের রেকর্ডারটা বহু পুরনো ছিলো, কিন্তু ভালোই চলতো। আমার চেয়েও বয়স বেশি ছিলো সেটার। গান শোনা হতো মাইলস, এলআরবি, সোলস এবং আরো কিছু ব্যান্ডের গান। নাম মনে আসছে না। হাসান এর গানও শোনা হতো। সে তো এখন মিডিয়া থেকে উধাও। ইংলিশ গানও শোনা হলো সেই ক্যাসেটেই। প্রথম গান ছিলো মাইকেল জ্যাকসনের। এরপর থেকে যে কত গান চলেছে ! আবার আমি যখন ক্লাস 6-7 এ উঠলাম, ততদিনে ঐ রেকর্ডারটা ঘুম দিয়েছে, নিউজ শোনার জন্য একটা জিনিস কেনা হলো, যেটাকে বোধহয় ট্রানজিস্টর বলাই ভালো। সেখানে VOA Music Mix শুনতাম আমি, স্কুলে যাবার আগে। যাক, রেডিওর মাধ্যমে চার্ট টপার অনেক চমৎকার চমৎকার গান শোনা হতো। এখনও হয় নাকি ঐসব অনুষ্ঠান ? কে জানে ! হায়রে এসব কথা ভুলেই গিয়েছি ! এমনভাবে ভুলেছি যেনো জীবনটা মাত্র এই ২০১০ সাল থেকে শুরু হয়েছে। ভিডিও সং দেখলাম প্রথম নানাজীর কম্পিউটারে। সেসময় বাংলাদেশেই কম্পিউটার নতুন। টেক-প্রিয় নানার বদৌলতে কম্পিউটারের চ...

পয়লা রমজান, আমার নতুন বছর

১লা জানুয়ারীতে আমার এক বছর যায় না। আমার এক বছর যায় ১লা রমজানে, রোজার ঈদে আর আমার জন্মদিনে। আজ তেমনি আমার একটা বছর শুরু হচ্ছে। এসময় আমি ডায়রি কিংবা ব্লগ লিখবোই। গত রোজা থেকে এই রোজায় অনেক পার্থক্য। একটা সময় ছিলো, যখন এত দ্রুত সবকিছুর পরিবর্তন হতো না। কিন্তু তখন লিখবার প্রবল আগ্রহের কারণে পাতার পর পাতা ডায়রি লিখে যেতাম। এখন, যখন লিখবার এত্তকিছু আমার হাতে, তখন কেনো যে শিরোমানহীনের গান শুনতে শুনতে লেখার হাত অসাড় হয়ে আসে ! ভাড়া থাকা জীবন। সাড়ে ষোল বছর একই বাসায় থাকবার পর নতুন বাসায় এলাম। ভালো হোক, মন্দ হোক -- ওটাই ছিলো "আমাদের" বাসা। ওখানেই আমি আমার স্মৃতিগুলো তৈরী করেছি, আমার শৈশব-কৈশোর, আমার ছেলেবেলা -- সবতো ওখানেই ! এই নতুন বাসায় এসে এমন একটা অনুভুতি হয় যে এই বাসা "আমাদের" নয়, এটা ছেড়ে দিতে হবে একসময়। যদিও আগের বাসাটাও নিজেদের ছিলো না, কিন্তু সেখানে এমন অনুভুতি হতো না। তখন ছোট ছিলাম যে ‍!

মেগাপিক্সেল

- ভাবতেসি সিলেট ট্যুর করবো। - বাহ ! বেশ তো। - ফ্রেন্ডরা মিলে যাবো, আর... - যাও, মজা করো। - যাবা ? - ছবি তুলে এনো, আমি দেখবো। - আমার ক্যামেরার মেগাপিক্সেল কম... মেগাপিক্সেলের কথা চলে এলো। ভাবলাম, মেগাপিক্সেল কম, তাতে কী ? তার ফ্রেমটা তো বেশ। সেকথা বলায় আরেক বন্ধুর কথা বললো -- তার ফ্রেমটা নাকি আরো বড়। বেশ তো ! বড় ফ্রেম, বড় ছবি।

গানেতিহাস

অনেকদিন ব্লগ লেখা হচ্ছে না। আমি ব্যস্ত হয়ে পড়লাম নাকি আবার ? নিজেকে ব্যস্ত ভাবতে ইচ্ছা হয় না। মনে হয়, আমি যেনো কখনোই ব্যস্ত না হই। প্রতিদিনই যেনো ব্লগ লেখার জন্যে একটু করে সময় থেকে যায়। কিন্তু তা আর হয় না। সেই চার তারিখের পর, আজ রাত বারোটা দশে প্রোগ্রামিং বই আর আইডিই ক্লোজ করে ভাবলাম- ঘুমাতে যাবার আগে একটা গান শুনে যাই। প্রথমে প্লে করলাম Beethoven's Ode to Joy, তারপর প্লে করলাম 9th Symphony, তারপর দেখি B দিয়ে যত গানের তালিকায় আইয়ুব বাচ্চুর "বেলা শেষে" গানটা। এমনিতেই গান শোনা হয় না, তার 'পর আবার আইয়ুব বাচ্চু- যে কিনা আর এখনকার যুগের নয়- কিন্তু গানটা শুনতে শুনতে মনে হল- সাহস করে আরেকটু রাত জেগে একটা ব্লগ নাহয় লিখেই ফেলি !

ব্লগিঙেতিহাস...

অনেক দিন রাত জেগে ব্লগ লেখা হয় না। আজ সময় আর মুড পেয়ে লিখতে বসে গেলাম। কী বলব ? আজকে নাহয় আমার ব্লগিং করার শুরু নিয়ে বলি। ব্লগিঙের ইতিহাস বলতে গেলে অনেক কথা বলা হয়ে যাবে, তাই...।

ডায়রি : মার্চ ২৮, সন্ধ্যা।

আসরের আগ দিয়ে দোকানে গেলাম কিছু জিনিস আনার জন্য। লিস্ট দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি , হঠাৎ দেখলাম দু’জন মহিলা এসে দাঁড়িয়েছে দোকানের সামনে। ঐ চেহারাদুটো আমি দেখেছি একটানা পাঁচ বছর। এই দু’জন ম্যাডাম - ই আমার খুব প্রিয় ছিল। আলেয়া ম্যাডাম। বিউটি কর ( আমরা বলতাম দিদিমণি ) ম্যাডাম। আমি দোকানের ভিতরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। আলেয়া ম্যাডাম আর দিদিমণি ম্যাডাম ভদ্রতা করছেন - কে কিনবেন। আমি আর সে সুযোগ দিলাম কই ? ম্যাডামদের দেখে আমি যেন ক্লাস সিক্সের সেই বাচ্চা ছেলেটা হয়ে গেলাম। খুব খুশি লাগছিলো। দোকান থেকে নেমে গিয়ে দু’জনের সামনে দাঁড়িয়ে পড়লাম - “ সালাম , ম্যাডাম আমাকে চিনতে পারসেন ?” তাঁরাও খুব খুশি আমাকে দেখে : “ হ্যা , চিনতে পারব না কেন ? পরিবর্তন বলতে লম্বা হইসো।” বলে আলেয়া ম্যাডাম আমার মাথা থেকে পা পর্যন্ত তর্জনী দিয়ে উচ্চতাটা নির্দেশ করলেন। “ ম্যাডাম কেমন আছেন ? অনেকদিন পর আপনাদের দেখে খুব ভালো লাগলো।” - আমি বাচ্চা ছেলেটি হয়ে গেলাম ম্যাডামদের সামনে , আর দোকানের ছেলে তিনটা কাজ বাদ দিয়ে তা - ই দেখতে লাগল।

জন্মদিন

গতবছর আমার উনিশতম জন্মবার্ষিকী ছিল। সেটা ছিল ২০১০ সাল। আমাদের HSC পরীক্ষার প্র্যাকটিকাল সবে শেষ হয়েছে - দু-চারদিন গিয়েছে কেবল, আমার জন্মদিন চলে এলো। ফোনে "Happy Birthday" লেখা পড়া, আর সামনাসামনি শোনার অনেক পার্থক্য। সামনাসামনি যখন কেউ বলে - "Happy Birthday !", তখন আমি অস্বস্তিতে পড়ে যাই। কী বলব ভেবে পাই না। আর আমার একটা বড় সমস্যা হল, মুখ দিয়ে 'ধন্যবাদ' কথাটা বের হতে চায় না। আমি করুণ হাসি দিই ! যাহোক, যা বলছিলাম, গত জন্মদিনের কথা।

নয়নী

এখন থেকে প্রায় সাত মাস আগে -  পাঁচই অগাস্ট পাবনায় গিয়েছিলাম। সেখানে ,  ছয়ই অগাস্ট আম্মুর সাথে আম্মুর আত্মীয় - স্বজনদের সাথে দেখা করেছিলাম। অনেকদিন পর আজ সেখানে দেখা দুটো চোখ কেন যেন বারবার মনের মাঝে ভেসে উঠছে। আমাদেরই দূর সম্পর্কের আত্মীয় হবে কোনভাবে ,  আমি ঠিক বলতে পারব না কীভাবে। সেই  ' আত্মীয়ের '  মেয়ের নাম ছিল নাজিফা। না না ,  কোন প্রেম ভাব জাগেনি আমার -  বসিনি মনের মাঝে কলি হয়ে থাকা কোন প্রেমের গল্প করতে।

শীতের স্মরণে.....

এই রুমের কার্পেটটা ছোট। পিসিতে বসে মেঝেতে পা রেখে বেশ ঠান্ডা লাগছে। দরজা খুলে বারান্দায় গেলেই আবার একটু রোদ পাওয়া যাবে। ঢাকায় শীত আসে দেরীতে। যায় সবার আগে। ফিল করার আগেই শীত চলে যায়। কিন্তু এই শীতকালটা আমার খুবই প্রিয়। যদিও প্রায়ই কাবু হয়ে পড়ি, দশের নিচে তাপমাত্রা নামলেই। তবুও, আজকে ব্লগ লিখতে বসে হঠাৎই মনে হচ্ছে, শীতকালটা যেন চলে যাচ্ছে। ধরে রাখা দরকার।

বাচ্চা-কাচ্চার গল্প

অনেকদিন থেকে একটা ব্লগ লিখতে মন চাইছিল। তাও আবার যেমন তেমন ব্লগ না- সুপার ডুপার ব্লগ। গতকাল সত্যিই লেখার কিছু পেয়ে গেলাম। সেকথাই বলি। বিকেলে হঠাৎই নানাজীর সাথে দেখা করতে গেলাম। আসরের নামাজ পড়ে বেরোলাম। গিয়ে দেখি নানাজী ইফতার সামনে নিয়ে বসে আছেন। রোজার মাসের পরের মাসে নানাজী ছয়টা রোজা রাখেন। ওটা ছিল ৫ম টা। নানাজীর সাথে ইফতার করেই উপরে গেলাম। সেখানে ছোট মামার ছেলে মুহিত তার চেয়ে বয়সে দু-এক বছরের বড়  ফুফাতো বোন লুবাইনার সাথে খেলছে। লুবাইনা-ই পড়ে কেজিতে। আর মুহিত( সে নিজেকে বলে 'ইপপাইডার ম্যান') তো সব কথা এখনও স্পষ্ট বলতেই পারে না। যা বলছিলাম।

আবার সেই রমজানের গল্প.....

আবার রমজানের গল্প করতে বসলাম। ডায়েরীতে তো অনেকবারই হল, এবার ডায়েরীর পাতা থেকে লাফ দিয়ে চলে এলাম ব্লগের পাতায়। কিছুদিন আগে রাস্তার 'পরের ভ্যান থেকে শশা কিনছিলাম। এক প্রতিবেশী (ভূতপূর্ব!) আন্টির সাথে দেখা হল। আন্টি তার ছেলে জিসানকে নিয়ে কোথায় যেন যাচ্ছিলেন, দেখা হওয়ায় জিজ্ঞাসা করলেন- "এখনও কি তুমি আর্ট করো?" মানুষ তো ছোট থেকে বড় হয়, বড় থেকে বুড়ো হয়। সময়ের দাগ পড়তে থাকে। কিন্তু কারো সাথে শেষ দেখাটা যদি হয় অনেক বছর আগে, মানুষ তখন সময়ের দাগের কথা ভুলে যায়, হঠাৎ দেখা হলে বলে- "তুমি এত বড় হয়ে গেসো?" কিংবা- "এখনও কি তুমি আর্ট করো?" আমি আগে ছবি আঁকতাম।

অনেকদিন পর, এইসব গল্প

৫ই অগাস্ট এর কাহিনী শুক্র-শনি আব্বু আর বড়াপুর অফিস ছুটি। আম্মু তাই বৃহস্পতি থেকে শনিবার পযর্ন্ত এই ছোট্ট ট্রিপ-এ গেলেন নানাজীর সাথে নানাবাড়ি, সাথে আমি আর ছোটমামা। ৫ই অগাস্ট সকাল আটটার দিকে রওয়ানা করে বেলা একটায় পৌঁছলাম। গাড়ি থেকে বের হয়েই প্রথম যে কথাটা মনে হল, সেটা একটা শব্দ- 'গরম!' সারা বাংলাদেশে এসি লাগানোর মত অবস্থা! তাড়াতাড়ি ব্যাগ নিয়ে সোজা দো'তলায়। গোসল করতে যেয়ে দেখি দীর্ঘদিনের অব্যবহারে বাথরুমের অবস্থা খুব চমৎকার! কোনমতে জুতা পরে রবীন্দ্রনাথের সেই চাকরের(নামটা ঠিক মনে নেই, ব্রজেশ্বর মনে হয়) মত হাত বাঁকিয়ে বাঁকিয়ে গা বাঁচিয়ে গোসল করলাম। আম্মু হাঁড়ি-পাতিল ধুয়ে খিচুড়ির ব্যবস্থা করে ফেললেন। সবাই খেয়ে-দেয়ে দম ফেলতেই ক'ঘন্টা যেন পার হয়ে গেল।

যাহ- শেষই হয়ে গেল ক্লাসটা!

হুম। গতকালই শেষ হয়ে গেল আমার কলেজ লাইফের ক্লাসগুলো। একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে অদ্ভুত অনুভুতি হয়। এই অনুভুতিটাকে আমি কখনোই মনমতন বর্ণনা করতে পারি না। কেমন যেন ঘোর লাগা অনুভুতি। দাঁতের গোড়ায় কেমন শিরশির অনুভুতি। গতকাল, ২০ অক্টোবর ২০০৯- এ আমি আর যীনাত সকালে কলেজে গেলাম। বায়োলজি কুইজ ছিল। কুইজ শেষে দো'তলায়, আমাদের A সেকশানের ক্লাসরুম- ২১২ নাম্বার রুমে আমরা সবাই গেলাম। তারপর অনেক কাহিনী হল। যেগুলো ব্লগস্পটে লেখার নয়-