সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জাফর ইকবাল লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মেসেজ : সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুতে আমার অবস্থান

বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশীরা বহুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। মুসলিম ছাড়া আর কোনো লেবেল নিজের গায়ে লাগাতে না চাইলেও ট্যাগিং অস্ত্রের শিকার হয়ে পড়েছি। দুঃখজনকভাবে সেটা "রহিম-করিমদের" কাছ থেকেই। একারণে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করা কর্তব্য। যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাহরির স্কয়ারের মত ইসলামী বিপ্লবের আলো দেখা যাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশের মত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে ইসলামের কবর রচনা করার প্রকাশ্য ঘোষণা হচ্ছে। আমরা যে মুসলিম বিশ্ব ও বৈশ্বিক ইসলামী জাগরণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে উল্টো পথে চলছি, তা আশঙ্কাজনকভাবে সত্য। সাম্প্রতিককালে ঢাকার শাহবাগে যে মুভমেন্টটা শুরু হয়েছে, তাকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। ইসলামপন্থীরা একে বরাবরের মত একটি "ব্যর্থ সরকারী প্রচেষ্টা" মনে করলে ভুল করবেন। এটা সত্য যে পাঁচদিন ধরে সমস্ত মিডিয়ায় ঢাক-ঢোল পিটিয়েও তারা ৫০ হাজার লোক আনতে পারে নাই। কিন্তু এ-ও সত্য যে ইসলামবিরোধী সকল শক্তি এখানে একত্রিত হয়ে একটি প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে কার্যতঃ ইসলামকে ধ্বংসের ঘোষণা দিয়েছে। এই "নতুন মুক্তিযুদ্ধের" মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বপন করে আসা ঘৃণার বীজে...

জাফর ইকবাল : একজন স্বাধীন লেখক

আজকের প্রথম আলোতে জাফর ইকবাল সাহেবের একটি সাদাসিধে কথা প্রকাশিত হয়েছে : “ বিশ্বজিতের লাল শার্ট”। আবেগী কথাবার্তা আর " স্যার - স্যার” সম্বোধনের আড়ম্বর বাদ দিয়ে মুল কথাটা বলে যাই। গত ৭ ডিসেম্বর ও আজকে , ২০ ডিসেম্বরে প্রকাশিত হয়েছে জাফর ইকবালের দুটি লেখা। শিরোনাম যথাক্রমে " তোমরা যারা শিবির করো” এবং “বিশ্বজিতের লাল শার্ট”। তার আজকের লেখার শিরোনামটা চমৎকার , তবে তার লেখনীতে আমরা এমন শিরোনাম দেখি না : " মুজাহিদের সাদা টুপি " ( ১৭ বছর বয়সী শিবির কর্মী , যাকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে ) " নাম - না - জানা ছেলের নীল শার্ট " ( ৪ ডিসেম্বরে মিরপুরের কালশীতে রাস্তায় ফেলে যেই শিবিরকর্মীকে লীগের ছেলেরা পিটিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে গিয়েছিলো ) “ নাম - না - জানা বৃদ্ধের স্বজনদের কান্না” ( বিশ্বজিত হত্যার একই দিনে , ৯ ডিসেম্বরে যেই বৃদ্ধ জামাত কর্মীকে হত্যা করা হয়েছিলো ) “ ২৮শে অক্টোবরের দুঃসহ স্মৃতি ” ( ২৮শে অক্টোবর , ২০০৬ এ লীগের ছেলেরা লগি - বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে ৫ জন শিবির কর্মীকে হত্যা করে প্রকাশ্যে তাদের লাশের উপর নেচেছিলো ) কিংবা আরো অনে...

ঘেটুপুত্র কমলা : হুমায়ুন আহমেদের শেষ কর্ম

হাওরে পানি এলে তিন মাস জমিদারের কোনো কাজ থাকে না। এই কর্মহীন সময়ে আমোদ ফূর্তি করার জন্য জমিদার সাহেব ঘেটুগানের দল ভাড়া করে আনে। ঘেটুগানের দলে কমবয়েসী সুন্দর ছেলে থাকে। এই ছেলে মেয়ে সেজে নাচ - গান করে এবং জমিদারের ইচ্ছানুযায়ী তার সাথে সমকামিতায় লিপ্ত হয়। এজাতীয় ছেলেদেরকে ঘেটুপুত্র বলা হতো। মুভির ঘেটুপুত্রের নাম কমলা। টাকার অভাবে সে এই কাজে আসে। ঘেটু দলে তার বাবাও থাকে , সে হলো দলের অধিকারী। বেশ ক ' দিন জমিদারকে আনন্দ দেবার পর একদিন জমিদারে স্ত্রীর হিংসার শিকার হয়ে কমলার অপমৃত্যু ঘটে : কাজের মহিলা টাকার বিনিময়ে কমলাকে ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করে। হুমায়ন আহমেদের শেষ কর্ম হলো এই " ঘেটুপুত্র কমলা” নামক মুভি। মুভির মূল বিষয় সমকামিতা (homosexuality) । ইতোমধ্যেই এটা বেশ আলোচিত - সমালোচিত হয়েছে। ঈদের দিনে প্রচারিত হয়েছিলো টিভিতে , সেই ভার্সন দেখলাম গতকাল। হুমায়ুন আহমেদের কথা - কর্ম নিয়ে কখনো সেভাবে লেখার প্রয়োজন বোধ করি নাই , কিন্তু মুভিটা দেখা হয়ে যাওয়ায় লেখার প্রয়োজন বোধ করছি। কেউ হয়তো দেখেছেন , কেউ হয়তো দেখেন নি , কেউ হয়তো শুধু পত্র - পত্রিকা ক...